Sunday, December 30, 2012

কিছু বাস্তবতা

i.. মেহেদি পরা হাত দেখতে ভালো লাগবেই..

ii.. চুমু খাওয়া স্বাস্থ্যকর..


iii.. একজন ওয়াইফ তার হাসবেন্ড কে টাই বেঁধে দিতে পছন্দ করে..

iv.. ছেলেরা তার ভালোবাসার মানুষ অথবা পছন্দের মেয়েটিকে রাগাতে পছন্দ করে..

v.. সত্যিকারের বন্ধুরা কখনোই আপনার বন্ধুত্বের পরীক্ষা নিবে না..

vi..যাকে আপনি সত্যিই ভালোবাসেন,জেনে রাখুন সেই মানুষটিও আপনাকে ভেবেই ঘুমুতে যায়..

vii.. মানুষের জীবনে কিছু মানুষ থাকে যাদের সাথে মিথ্যা বলা যায়না তাদের চোখের পানি সহ্য করা যায়না..

viii.. খুব কষ্টকর একটা অনুভূতি হয় যখন আপনি বলে দেন 'কিছুনা',কিন্তু আপনার অনেক কিছুই বলার ছিল..

ix.. 85% মেয়েরা ছেলেদের কাছ থেকে প্রথমে প্রপোজ আশা করে..

x.. ভালোবাসার মানুষটির পিছন থেকে জরিয়ে ধরা ব্যাপারটা মেয়েদের ভালো লাগবেই.

Friday, December 21, 2012

ভালবাসা বাড়ানোর কয়েকটি টিপস:

  • মনের মানুষের সাথে মাঝে মাঝে নিজ জীবনের সুখ দুঃখের ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো শেয়ার করুন
  • ঘটনাগুলো তাকে অনুভব করতে দিন এবং অনুভূতি প্রকাশ করতে দিন
  • ছোট ছোট সারপ্রাইজ দিতে পারেন,সেটা গিফট দিয়ে হোক কিংবা ব্যস্ত জীবনের খানিকটা সময় তার জন্য ফ্রী করে দিয়েই হোক
  • তাকে বোঝার চেষ্টা করুন,দেখবেন সেও আপনাকে অনুভব করছে
  • অভিমান ভাঙাতে সরি না বলে,সে যেটা অনেক বেশি পছন্দ করে সেটা করুন অথবা লজিক দিন
  • সবসময় কাছে থাকার চেষ্টা করুন,দূরে খাকলেও নিয়মিত খোঁজখবর নিন
© Collected

৫টি ভালো কাজ

৫টি ভালো কাজ যা হয়তো একটু সদিচ্ছা থাকলেই আমরা করতে পারি, দরকার শুধু একটুখানি উপলব্ধি।
১. মায়ের মুখে হাসি ফোঁটাতে না পারলেও কখনও মায়ের চোখের পানি ঝরাবেন না।
২. আপনার সন্তানকে পৃথিবীর সব ঐশ্বর্য না দিতে পারলেও তার হৃদয়ে একটি মানবতার প্রদীপজ্বেলে দিন।
৩. ভালোবাসার মানুষটাকে সুখে ভাসাতে না পারলেও তার মনে কখনও দু:খ দিবেন না।
৪. পুরো অসহায় সমাজের দায়িত্ব নিতে না পারলেও অন্তত একটি অসহায় মানুষের দায়িত্ব নিন।
৫. প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে মৃত্যুকে স্মরণ করুন এবং সকালে আবার পৃথিবীকে নতুন করে দেখার জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে শুকরিয়া প্রকাশ করুন।

১৫ই শা’বান

হযরত আবুবকর সিদ্দিকী (রাঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “হে মানবগণ! তোমরা শা’বান মাসের মধ্যরাত্রিতে অর্থাৎ শা’বানের ১৫ তারিখ রাত্রিতে উঠো! ওই রাত্রি অত্যন্ত পবিত্র। ওই রাত্রে আল্লাহ্‌তায়ালা বলেন, “হে মানবগণ, তোমাদের মধ্যে কি এমন কেহ আছে যে তোমরা আমার নিকট ক্ষমা চাও? আমি ক্ষমা করিয়া দিবো”।” সুতরাং শা’বানের রাত্রি অতি বরকতের রাত্রি। যে ব্যক্তি এইরাত্রে এবাদত করে সে, বহুত ছওয়াব পাইবে।

     হযরত রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, আমাকে জ়িবরাইল (আঃ) উপদেশ দিয়েছেন যে, আপনার উম্মতদিগকে বলে দিন যে, তারা যেন শবে-বরাতকে জিন্দা রাখে, তা হলে তারা যেন শবে-কদরকেও জিন্দা রাখলো।

     হযরত রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ১৫ শা’বানের রাত্রিতে আল্লাহ্‌তায়ালা সমস্ত এবাদতকারীকে, নেককারকে ও বদকারকে মাফ করে দিবেন। কিন্তু যাদুকরকে, গনককে, কৃপণকে, পিতা-মাতাকে কষ্ট-প্রদানকারীকে, শরাবখোরকে, জেনাকার পুরুষ ও স্ত্রী-লোককে এবং মাদকদ্রব্য সেবনকারীকে মাফ করবেন না। তবে তওবা (জীবনের তরে আর কখনও সেই কাজ করবেনা এই বলে অনুতাপ করে আল্লাহ্‌ গাফুরুররাহীমের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা) করলে মাফ করবেন।

     ১৫ই শা’বানের রাত্রে আল্লাহ্‌তায়ালা মুসলমানদিগকে বলেন, “যে আমার নিকট মাফ চাইবে, তাকে মাফ করবো”। আল্লাহ্‌তায়ালা বলেছেন, “উক্ত তারিখে যে আমার নিকট সাস্থ্য প্রার্থনা করবে, আমি তাকে সাস্থ্য প্রদান করবো। যদি গরীব থাকে এবং আমার কাছে ধনী হবার জন্য প্রার্থনা করে, তা হলে আমি তাকে ধনী করে দিবো”।

আমলঃ

১।     ১৫ই শা’বানের রাত্রিতে সন্ধ্যার পরে গোসল করা উচিৎ। এটা মোস্তাহাব। হযরত রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ১৫ই শা’বানের রাত্রিতে এবাদতের নিয়তে গোসল করে, তার জন্য প্রত্যেক ফোটা পানিতে ৭০০ রাক্‌য়াত নফল নামাযের ছওয়াব লেখা যাবে”। গোসলের পর ২ রাক্‌য়াত তাহইয়াতুল ওয়াজু নামায পড়বে। প্রত্যেক রাক্‌য়াতে সুরা ফাতিহার পর ১ বার আয়াতুল কুরসি্‌ ও ২৫ বার সুরা এখলাস্‌ পড়বে। তাহইয়াতুল ওয়াজু হতে অবসর হয়ে আট রাক্‌য়াত নফল নামায পড়বে। প্রত্যেক রাক্‌ইয়াতে সুরা ফাতিহার পর ১ বার সুরা কদর ও ২৫ বার সুরা এখলাস্‌ পড়বে। হযরত রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি এই নামায শা’বানের রাত্রিতে অর্থাৎ ১৫ তারিখের রাত্রে আদায় করবে, তার সমস্ত গুনাহ্‌ মাফ হয়ে যাবে এবং নব-প্রসূত শিশুর মত গুনাহ্‌ হতে পবিত্র হয়ে যাবে”।

২।     হযরত রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি শা’বানের ১৫ তারিখ রাত্রে প্রতি রাক্‌য়াতে সুরা ফাতিহার পর ৫০ বার সুরা এখলাস্‌ পাঠ করতঃ ৪ রাক্‌য়াত নফল নামায শেষ করে ও ১৫ তারিখে রোযা রাখে, আল্লাহ্‌তায়ালা তার ৫০ বৎসরে গুনাহ মাফ করে দিবেন”।

৩।     অন্য এক রেওয়াতে আছে, যে ব্যক্তি ১৫ই শা’বানের রাত্রে প্রতি রাক্‌য়াতে সুরা ফাতিহার পর ১০ বার সুরা এখলাস্‌ পাঠ করতঃ ১০০ রাক্‌য়াত নফল নামায শেষ করে, তার সমস্ত গুনাহ আল্লাহ্‌তায়ালা মাফ করে দিবেন এবং তার ১০০ অভাব পূর্ণ করে দিবেন, তার জন্য বেহেশ্‌ত হালাল ও দোযখ হারাম করে দিবেন।

৪।     হযরত রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি শা’বানের ১৫ তারিখের রাত্রে প্রতি রাক্‌য়াতে সুরা ফাতিহার পর যেকোন সুরা অথবা সুরা এখলাস্‌, সুরা কাফেরুন, সুরা নাছ ও সুরা ফালাক দ্বারা ১৪ রাক্‌য়াত নফল নামায এবং নামাযের মধ্যে আয়াতুল কুরসি্‌ ১ বার ও লাকাদ জা-আকুম শেষ পর্যন্ত ১ বার পাঠ করতঃ সালাম ফিরিয়ে যে দোয়া প্রার্থনা করবে, সেই দোয়াই কবুল হবে”।

৬।     হযরত রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ১৫ই শা’বানের দিনে রোযা রাখবে, সে দোযখের আগুন হতে মুক্তি লাভ করবে”।

৭।     হযরত রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি শা’বান মাসের শুক্রবার প্রতি রাক্‌য়াতে সুরা ফাতিহার পর ৩০ বার সুরা এখলাস্‌ দ্বারা ৪ রাক্‌য়াত নফল নামায পড়ে, সে একটি হজ্জ ও একটি ওমরার ছওয়াব পাবে”।

৮।     হযরত রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ১৫ই শা’বানের রাত্রে ১০০ বার ও দিনে ১০০ বার আমার উপর দরূদ শরীফ পড়বে, তার উপর দোযখের আগুন হারাম হয়ে যাবে এবং আল্লাহ্‌তায়ালা তাকে বেহেশ্‌তে দাখিল করবেন”।

৯।     হযরত রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি শা’বান মাসের দিনে ও রাত্রে আমার উপর ১০০ বার দরূদ পড়বে, আল্লাহ্‌তায়ালা তাকে দোযখের আগুন হতে বাচাবে এবং কেয়ামতের দিন আমি সকলের আগে তার জন্য শাফায়াত করবো”।

১০।     হযরত রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি শা’বানের মাসে ৩ হাজার বার দরূদ শরীফ পড়বে, তাহা হলে কেয়ামতের দিন তার জন্য শাফায়াত করা আমার জন্য ওয়াজীব হয়ে যাবে। সুবহানাল্লাহ্‌!

১১।     হযরত আবুল কাছেম ছাফ্‌ফার (রাঃ) হতে বর্ণিত, “আমি হযরত ফাতেমা (রাঃ) কে খাবে দেখিলাম। আমি বললাম, হে খাতুনে জান্নাত! আপনি এমন কি বস্তু ভালোবাসেন, যা আপনার রুহের জন্য দান করিব? ফাতেমা (রাঃ) বলিলেন, হে আবুল কাছেম! আমি শা’বান মাসে ৮ রাক্‌য়াত নামায ভালোবাসি। উহা ৪ বৈঠকে ও ১ সালামে পড়তে হবে। প্রত্যেক রাক্‌য়াতে সুরা ফাতিহার পর সুরা এখলাস্‌ ১১ বার করে পড়বে! যে ব্যক্তি উক্ত প্রনালীতে এই নামায পড়বে এবং আমাকে ছওয়াব বখশীশ দিবে; আমি তার জন্য শাফায়াত না করে কখনও বেহেশ্‌তে এক পা-ও দিব না। এই নামাজ শা’বান মাসের যে কোন রাত্রে আদায় করিবে। যদি এই মাসের প্রথম ভাগের রাত্রে পড়ে, তা হলে খুবই উত্তম অথবা যে কোন রাত্রে ইচ্ছা পড়তে পারবে”।

হাদীছ শরীফে এসেছে-

     “যে ব্যক্তি শা’বানের ১৫ তারিখে রোযা রাখবে, তাকে কখনও দোযখের আগুন স্পর্শ করবে না”।

     ১৫ শা’বানে আসমান থেকে লক্ষ লক্ষ ফেরেশতে দুনিয়ায় নেমে আসেন এবং ওই রাত্রে এবাদতকারীদেরকে দেখেন এবং তাদের জন্য রোজ কেয়ামত পর্যন্ত ছওয়াব লিখতে থাকেন, তারপরেও সেটা পূর্ণ হবেনা। পরে রোজ কেয়ামতের দিন আল্লাহ্‌তায়ালা ফেরেশতাদেরকে ডেকে বলবেন, “হে ফেরেশতাগন, তোমরা এখন ছওয়াব লেখা বন্ধ করো। আমি বিনা হিসাবে আমার বান্দাকে বেহেশ্‌তে নিয়ে যাবো। তোমরা আমার বান্দাদের ছওয়াব লিখে শেষ করতে পারবেনা। বরং আসমান জমীনের ফেরেশতারা একত্রিত হয়েও যদি ছওয়াব লিখতে থাকো, তারপরেও এটা পূর্ণ হবেনা।

পরিশেষে আমার কিছু কথা-

     আলহামদুলিল্লাহ! আমি আল্লাহ্‌র শুকুর গুজার করে শেষ করতে পারবোনা তার একটা কারন হলো- আমি মাঝে মাঝে ভাবি, এই আমি যদি আজ মুসলমানের ঘরে না হয়ে কোন অন্য ধর্মের ঘরে হতাম! তাহলে সারা জীবন আমাকে কিছু চরম মিথ্যা বুনিয়াদের উপর বসে থাকতে হত, যার পরিনামও ভয়াবহ। আমি কিভাবে এ ধন্যবাদ জানাবো? এর কোন ভাষা আমার কাছে নেই।

     কিন্তু তারপরেও, মুসলমান হয়েও কি আমি পুরোপুরি নিরাপদ আছি, আমার মনে হচ্ছে না। তবে হ্যা, অন্য ধর্মে থাকলে হয়তো ভবিষ্যতের ভয়বহতাটা জানতে পারতামনা, এখন বরং কিছুটা আন্দাজ করতে পারছি, এটুকুই পার্থক্য। তবে সেই পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাওয়ার বহু সুযোগ আমাদের দেওয়া হয়, যেটাও আমরা হেলায় হারিয়ে দিই। তাই আমি এই হাদীছ পাঠকদের অনুরোধ করবো- সবগুলো না পারেন, একাধিকও যদি না পারেন, অন্তত একটা আমল করেন, যেটা আপনার কাছে সহজ মনে হয়। আর যেহেতু এই রাত্রে দোয়া কবুলের একটা সুযোগ আছে, যেটা আমরা অনেক ভাবে ব্যবহার করতে চাই, আমি বলবো সেগুলোর চাইতে এই প্রার্থনাটা অন্যতম মুখ্য হওয়া উচিৎ-

ক) “ইয়া আল্লাহ্‌, আমার অতীতের সমস্ত গোনাহ্‌ থেকে রেহাই দিয়ে, ভবিষ্যতের সমস্ত ফরয ও সুন্নাত সঠিকভাবে আদায় করার তৌফিক দাও মালিক”!

খ) “সমস্ত হারাম থেকে হেফাজত করে আমাকে হালাল বস্তু দান করো”!!

গ) “আমার মনকে তোমার পথের দিকে সুপরিবর্তীত করো!!! আমীন”।

    বিশেষ করে আমার মতে সুরা ফাতিহার শেষ ২ আয়াত এখানে সবচেয়ে উপযোগী প্রার্থনা।

সুরা ফাতিহাঃ

৬ষ্ঠ আয়াত- “আমাদিগকে সরল পথ দেখাও”।

৭ম বা শেষ আয়াত- “সে সমস্ত লোকেদের পথ যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গযব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট”।



আল্লাহ্‌ আমাদের সবাইকে হেদায়েত দিন। আমীন।



About Fall in Love

যদি কাউকে ভালোবাসো → →
~~ মন থেকে ভালোবাসো,
~~ মন দিয়ে ভালোবাসো,
~~ সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় আবেগ নয়, বাস্তবতাও মাথায় রেখো,
~~ ভালোবাসার পরিণতির কথা ভেবো,
~~ বাবা-মা রাজি না হলে বুঝানোর চেষ্টা করবে,
কিন্তু তাদের অবাধ্য হবেনা।
©Collected 

Like VS Love

ভালোবাসা ও পছন্দের মধ্যে পার্থক্য কি জানেন??
যাকে আপনি ভালবাসেন তার সামনে আপনার হার্টবিট বেড়ে যাবে
কিন্তু যাকে আপনি পছন্দে করেন তাকে দেখে আপনি খুশি হবেন
যাকে আপনি ভালবাসেন তার সামনে থাকলে শীত কালকে বসন্ত মনে হবে
কিন্তু যাকে পছন্দ করেন তার সামনে শীতকালকে শুধু সুন্দর শীত বলেই মনে হবে
যাকে ভালবাসেন তাকে আপনার মনের সব কথা বলতে পারবেন না
কিন্তু যাকে পছন্দ করবেন তাকে বলতে পারবেন
যাকে ভালো বাসেন তার সামনে আপনি লজ্জা পাবেন
যাকে পছন্দ করেন তার কাছে আপনি নিজেকে উপস্থাপন করতে চাইবেন
যখন আপনার ভালোবাসা কাদবে আপনি তার সাথে কাদবেন
কিন্তু যাকে পছন্দ করেন সে কান্না থামালে আপনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন
তাই যদি আপনি আপনার পছনের মানুষ কে ভুলে যেতে চান তাহলে শুধু আপনার চোখ বন্ধ করে তার থেকে ফিরিয়ে নিলেই চলবে
কিন্তু
যদি ভালবাসাকে ভোলার জন্য চোখ বন্ধ করেন আপনার ভালোবাসা কান্না হয়ে ঝড়ে পড়বে কিন্তু সে আপনার হৃদয় এই থেকে যাবে

Elias has been Kidnaped

ইলিয়াস vai k niye শিল্পীদের মতবাদ;

Asif Akbar- O ইলিয়াস O ইলিয়াস tumi kothay...

LRB- Ferari ei mon ta amar mane na kono badha ইলিয়াস k pabar ashay...

JAMES- Rater tara vorer tara bolte parish kothay ache kemon ache ইলিয়াস

BAPPA- ইলিয়াস er bari ronger melay dekhe chilam bayoscope...

BALAM- Ek mutho roddur haate 1 akash nil, aj ইলিয়াস er jonno besto shohore, cholse horotaler michil...

Arefin RUMI- ইলিয়াস er chokhe akash amar chad jar purnima...

AKBAR- ইলিয়াস er haat pakhar batashe pran juriye ashe, kichu somoy aaro tumi thako amar pashe...

TAHSAN- ইলিয়াস,ইলিয়াস tomay kokhono khuje pabona, chader aalo tumi kokhono amar hobe na...

TOUSIF- Nil akash chute pari ইলিয়াস jodi chao, oi megh hote pri ইলিয়াস jodi chao...

ANJAN- Rastay namle thyang khora kore debe boleche rastar police ra, onno rasta diye jacchi tai, ইলিয়াস vai ami r ashbona...

HABIB- Din gelo ইলিয়াস er potho chahiya...

Hridoy Khan- Bolna tui bolna, ইলিয়াস kothay bolna...

JEET- O ইলিয়াস tumi shunte ki pao, a gaan amar...

ORNOB- ইলিয়াস boshe ache aka aka, rongin shopno tar monete...

Stoic BLISS- ইলিয়াস vai nikhoj abar jigay, kobe tare pabo abar jigay..

PARVEZ- ইলিয়াস geche chole manusher arale, kon se dur ojanay..

HASAN- ইলিয়াস tumi r kedo naa, oviman koro naa..

SUBIR Nandi- ইলিয়াস re tui dure thakle kichui amar valo lage na..

SHOHAG- O ইলিয়াস kaindo naa, maan koiro na, tomare BNP valobashe tumi ki jano naaaaa...

HAIDER- ইলিয়াস faisha geche mainkar chipay...

RABINDRO Nath- Esho he ইলিয়াস esho esho...

Baby NAZNIN- Du chokhe ghum ashe naa, ইলিয়াস k dekhar pore...

ANUSHEH- ইলিয়াস er ghore bash kore koy jona mon janonah...

SABINA- ইলিয়াস firbe, ghore firbe, kobe firbe naki firbe na...

MOMTAZ- Tore loia udashi hoia hanimune jamu re ইলিয়াস mamu...

DOLI- Ghumiye chilam chilam valo jege dekhi ইলিয়াস nai, konba pothe  ইলিয়াস re pai, re bondhu re...

NANCY- Bahir bole ইলিয়াস re pabo, vitor bole pabo naa...

CHITRA Sing- Mone koro jodi shob chere hay ইলিয়াস tomay chole jete hoy...

©ahprince

রক্তের Group এর ধরণ

O+ = 'ও পজিটিভ' ব্লাড গ্রুপের মানুষ স্বচ্ছ দৃষ্টিসম্পন্ন, গভীর মনোযোগী, উচ্চাকাঙ্ক্ষী, স্বাস্থ্যবান, বাকপটু, বাস্তববাদী, রোমান্টিক এবং অত্যান্ত বুদ্ধিমান হয়ে থাকে।

O- = 'ও নেগেটিভ' গ্রুপের মানুষ সাধারণত অন্যের মতামতকে গ্রাহ্য করে না। সমাজে মর্যাদা বাড়াতে আগ্রহী, বড়লোকের সঙ্গপ্রিয় এবং বড় বেশি বাচাল।

A+ = 'এ পজিটিভ' ব্লাডগ্রুপের মানুষ গোছগাছপ্রিয়, দক্ষ চাকুরে এবং খুঁতখুঁতে স্বভাবের হয়ে থাকে। এরা আত্দকেন্দ্রিক, সুবিচারক, শান্ত, নিয়মতান্ত্রিক, বিশ্বস্ত, নিয়মানুবর্তী ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন।

A- = 'এ নেগেটিভ' ব্লাড গ্রুপের মানুষ খুব খুঁতখুঁতে স্বভাবের এবং কিছুটা অমনোযোগী। কিন্তু অপ্রয়োজনীয় বিষয়ে বেশি মনোযোগী। এদের অন্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার প্রবণতা বেশি। এদের আছে নিজেকে লুকানোর অভ্যাস এবং একঘেয়েমি জীবন।

B+ ='বি পজিটিভ' ব্লাড গ্রুপের মানুষ স্বাধীনচেতা, মেধাবী, নমনীয়, মনোযোগী, স্বাস্থ্যবান, সরল, দক্ষ, পরিকল্পনাবাদী, বাস্তববাদী, আবেগপ্রবণ এবং খুব বেশি রোমান্টিক হয়ে থাকে।

B- = 'বি নেগেটিভ' ব্লাড গ্রুপের মানুষ অসংযমী, অপরিণামদর্শী, দায়িত্বহীন, অলস, স্বার্থপর, অগোছালো, অবিবেচক এবং স্বার্থান্বেষী হয়ে থাকে।

AB+ = 'এবি পজেটিভ' ব্লাড গ্রুপের মানুষ সাধারণত সুবিবেচক, বুদ্ধিসম্পন্ন, হিসাবি, পরিকল্পনাবাদী, সৎ, কৌশলী, সংবেদনশীল, নিরেট এবং খুব চমৎকার সাংগঠনিক হয়ে থাকে।

AB- = 'এবি নেগেটিভ' ব্লাড গ্রুপের মানুষ দুর্বোধ্য, ক্ষমতাহীন, অন্যকে আঘাত করার প্রবণতা বেশি, এনার্জি স্বল্পতা, খুব বেশি রক্ষণশীল ও বেশি সংবেদনশীল হয়ে থাকেন।

©Collected

Govt. Websites



যে কোন দেশের উন্নতির পেঁছনে অর্থনৈতিক, সামাজিক সহ বিভিন্ন কর্মকান্ডের সাথে সাথে আই-টি বা তথ্য-প্রযুক্তি (IT- Information Technology) ক্ষেত্রের অবদান ও কোন অংশে কম নয়। আপাত দৃষ্টি তে দেখা না গেলেও প্রকৃত দৃষ্টি তে তথ্য-প্রযুক্তির অবদান আকাশ সমান।
তাই হয়তো বর্তমান যুগ ইন্টারনেটের উপর অনেক খানি নির্ভর হয়ে পড়েছে। ইন্টারনেটে প্রধানত যে কোন তথ্য সংগ্রহ করার জন্য বিভিন্ন ওয়েব ব্রাউজিং করা হয়। যে তথ্য কোথাও খুঁজে পাওয়া না যায় সেটাও নাকি google এ পাওয়া যায়, এই কথা এখনকার ক্লাশ ফোর এ পড়ূয়া ছেলে মেয়েরা ও জানে।
এখন আসুন আমাদের দেশের সরকারি ওয়েব সাইট গুলোর দিকে একটু নজর দেওয়া যাক।
প্রাথমিক শিক্ষা (ক্লাশ ১ থেকে ক্লাশ ৫) হচ্ছে যে কোন দেশের শিক্ষার ভিত্তি। ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে পড়াশুনা করে বিভিন্ন পরীক্ষা দেয়। পরীক্ষা গুলোর ফলাফল সরকার কর্তৃক ওয়েব সাইটে ও দেওয়া হয়। কিন্তু আসল কথা হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষার ওয়েব সাইটে (http://www.dpe.gov.bd) ঢুকতে গেলে একটা ভয়ানক ভাইরাস এর মুখোমুখি হতে হয়, যেটা কম্পিউটারের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর। অবিভাবকরা ফলাফল প্রকাশের দিন সকাল থেকেই অধির আগ্রহে বসে থাকেন তাদের ছেলে মেয়ে দের ফলাফল জানার জন্য। তবে অনেকেই ফলাফল দেখতে পান অনেকেই পান না। যাদের কম্পিউটারে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইন্সটল করা থাকে তারা হয়ে যান হতভাগা। কারণ এন্টিভাইরাস খুব সহজেই ভাইরাস টিকে ধরে ফেলে এবং ব্যবহারকারিকে সতর্ক করতে থাকে সাইট টিতে প্রবেশ না করার জন্য। অনেক সময় শক্তিশালী এন্টিভাইরাস ওয়েব সাইট টিতে কোন মতে ঢুকতেই দেয়না। আর এন্টিভাইরাস না থাকলে আপনি সরাসরি ঢুকতে পারবেন, যেটা যেনে বুঝে ক্ষতির সামিল।
তাহলে ছেলে মেয়েদের ফলাফল দেখতে হলে “হয় কম্পিউটার বাঁচাও নইলে টেনশন কমাও।

এইবার মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের ওয়েব সাইট এর কথা বলা যাক।
http://www.educationboardresults.gov.bd সাইট টিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। সুতরাং এই সাইট টি বছরে মাত্র ২ বার ব্যবহার করা হয়। কিন্তু সব থেকে বড় আফসোস এর বিষয় হচ্ছে সাইট টির অবস্থা “” এর মতএক সাথে মাত্র একটি দেশের মাধ্যমিক অথবা উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা সাইটে প্রবেশ করতে গেলেই মনিটরের স্ক্রীণে স্পষ্ট ভাষায় লেখা আসে Page can’t be displayed.
এই সমস্যা টির কারণ হচ্ছে Session Limit Problem. ওয়েব সাইট টিতে একই সাথে কত জন প্রবেশ করতে পারবে সেটা আগে থেকেই ঠিক করা থাকে। আর যখনই সেই সংখ্যা অতিক্রম করে তখনই মনিটরে লেখাটি আসে।  কথায় আছে কারো যদি ইচ্ছা না থাকে তাহলে জোর করে কিছুই করানো যায় না। মাত্র একটি দিনের জন্য Limit বাড়িয়ে দিলে তো তাদের কোন ক্ষতি হয় না, তাহলে সবাই কে আশা দিয়ে এমন ভাবে নিরাশা করানোর দরকার টা কি! একটি বহুল ব্যবহৃত ওয়েব সাইট হচ্ছে www.facebook.com  যেখানে ১১ বছর থেকে শুরু করে ৭৫ বছরের বৃদ্ধা পর্যন্ত সারা দিন রাত একই সাথে অকল্পনিয় বার প্রবেশ করছে। তারপরেও সেখানে কোন সমস্যা হচ্ছে না। উল্লেখ্য যে facebook.com এবং educationboardresults.gov.bd সাইট টি একই programming language (.php) দিয়ে তৈরী।
সরকারি ওয়েব সাইটের অবস্থা যদি এই হয় তাহলে বে-সরকারি গুলোর অবস্থা কি হওয়া উচিৎ বলে মনে করেন সবাই! কিন্তু না   বে-সরকারি ওয়েব সাইট গুলো অনেক ধাঁপ এগিয়ে আছে।
এখন সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন; দেশের প্রযুক্তির অবস্থা এমন গতাণুগতিক হলে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে পৌঁছানো কি সম্ভব!!!
_আবু হাসনাত প্রিন্স

নারী জাতি

► একটি মেয়ে যখন আপনার বোন,তখন আপনি তার"দায়িত্ববোধ" অনুভব করতে পারেন
► একটি মেয়ে যখন আপনার বন্ধু, তখনআপনি তার"আবেগ"অনুভব করতে পারেন
► একটি মেয়ে যখন আপনার প্রেমিকা, তখন আপনি তার"প্রবল অনুরাগ"অনুভব করতে পারেন 

► একটি মেয়ে যখন আপনার স্ত্রী,
তখন আপনি তার"ত্যাগ ও ধৈর্য"অনুভব করতে পারেন 

► একটি মেয়ে যখন আপনার সন্তান, তখন আপনি তার"নিষ্পাপতা"অ নুভব করতে পারেন
► একটি মেয়ে যখন আপনার মা, তখন আপনি তাঁর"প্রকৃত ভালোবাসা"অনুভব করতে পারেন 

 
✿ একটি মেয়ে,স্রষ্টার অন্যতম সেরা সৃষ্টি।তাদের যথোপযুক্ত মর্যাদা ও সম্মান দিন


©Collected

Monday, December 17, 2012

ভালোবাসার সত্যতা যাচাই

তুমি কাওকে ভালোবাস, কতটা ভালোবাস সেটা একমাত্র তুমি ই জানো, কিন্তু আদৌ কি তুমি তাকে ভালোবাস নাকি এইটা তোমার অন্তরের ক্ষণিকের পদচারণা?
হুম এই বিষয় টা সম্পর্কে সঠিক ধারনা তুমি নিজেই পেতে পারো সহজ একটা পরীক্ষার মাধ্যমে।
মনেকর, তুমি একজন কে অনেক ভালোবাস অথবা কিছুদিন হইলো একজন কে ভালোবাসা শুরু করেছ। তাহলে তোমার মধ্যে যে বিষয় গুলো লক্ষ্য করা যাবে সে
 গুলো হইলো,
i) মনে হবে আকাশে উড়তেছ
ii) নিজে নিজে হাসি দিচ্ছ
iii) কোন কাজ করতে গেলে তার কথা মনে পড়ছে
iv) কিছু খেতে গেলেই মনে হবে তারেও যদি খেতে দিতে পারতাম
v) etc etc etc...
এই বিষয় গুলো অসাভাবিক কিচ্ছু নয় তুমি তাকে মন থেকে ভালোবাসলেও এই গুলো হবে ছলনা করলেও হবে, কারন মন একটা আজব যন্ত্র।

এখন আসি সেই সহজ পরীক্ষা তে;
সম্পর্ক চলা কালীন কোন এক সময়ে তোমার কঠিন একটা বিপদ এসে হাজির হইলো, অথবা মনে করো তুমি একটা বিশেষ ধরনের দুঃচিন্তা তে পড়ে আছ আরও সহজ ভাবে বলা যায় মনে করো তুমি viva board এ বসে আছ যেটা পৃথিবীর অন্যতম একটা চিন্তাময় ভয়াবহ জায়গা। ঠিক সেই সময় গুলোতে তুমি তার কথা স্মরণ করবা, তাহলে তোমার মনের থেকেই পরীক্ষার ফলাফল টা পেয়ে যাবা,
ফলাফল অনেক রকম আসতে পারে, যেমন
i) ইস যদি তার সাথে এইগুলো share করতে পরতাম !
ii) সে পাশে থাকলে আমাকে সাহস জোগাতো !
iii) সে আছে তার স্থানে, এর সাথে তাকে কেন তুলোনা করবো !
iv) আরে দূর আগে নিজে বেঁচে নিই !
v) শালা'র মেয়ে দূরে যাইয়া মর !
vi) জীবনে বেঁচে থাকলে কত আসবে যাবে।

এইবার দেখুন আপনার ফলাফল কোন টা এবং আপনার ভালোবাসার সত্যতা যাচাই করুন।।