Wednesday, May 1, 2013

হতভাগা স্বামী'রা

  • ধরুন, আপনার স্ত্রী তার বাপের বাড়ি যাবার অনুমতি চাইলো। আপনি যদি না করেন, স্ত্রী বলবে, " আমাকে তুমি চাকরাণী পাইছো? সারা জীবন সংসারের কাজকর্ম করেই যাচ্ছি। একদিন বাপের বাড়ি যেতে চাইলে, এটাও না করবে। পাইছো টা কি তুমি?" আর অনুমতি চাওয়া মাত্রই, আপনি যদি হাসিমুখে অনুমতি দিয়ে দেন, বউ বলবে, " ও… আমি চলে গেলে, তুমি খুব খুশি। তাই না? এমন একটা ভাব করছো যে, আমি বাপের বাড়ি গেলেই তুমি বাঁচো!"
  • আপনার বউকে নিয়ে কোথাও যদি বেড়াতে না যান, বউ বলবে, " আচ্ছা, আমাকে কি তোমার মানুষ মনে হয় না? আমারও তো ইচ্ছা হয়, মাঝে মাঝে বেড়াতে যাই, কোথাও থেকে ঘুরে আসি!"
আর আপনি যদি নিজে থেকেই বউকে নিয়ে বেড়াতে যাবার কথা বলেন, বউ বলবে, " তুমি ভাবছো, আমি কিছু বুঝি না? পার্কে, বিচে বেড়াতে গেলেই তো ওইখানে সুন্দর সুন্দর মেয়ে দেখতে পাবে। এজন্যই বেড়াতে যাবার জন্য এত পাগল হইছো!"

  • আপনার স্ত্রী খুব সুন্দর করে সাজগোজ করলো। আপনি যদি কোন মন্তব্য না করেন, স্ত্রী বলবে, " আমার দিকে তোমার কোন নজরই নেই! আমার বয়স কি খুব বেশি হয়ে গেছে?"
স্ত্রীর সাজগোজ দেখে যদি বলেন, " ওয়াও! তোমাকে আজকে বোম্বের নায়িকা জরিনার চেয়েও সুন্দর লাগছে! আকাশের পরীরাও তোমাকে দেখলে লজ্জা পাবে! আমার কি সৌভাগ্য!"
স্ত্রী বলবে, " হয়েছে, হয়েছে, আর ন্যাকামি করতে হবে না! সারা দিন খোঁজ খবর নাই। এখন আসছে ন্যাকামি করতে!"

  • আপনার বউ ৩ ঘন্টা ধরে স্টার জলসা দেখছে। আপনি খবর দেখার কথা মুখেও আনতে পারছেন না। আপনি হাসিমুখে বললেন, "ভালো, ভালো, দেখতে থাকো। আমি বাইরে থেকে ঘুরে আসি।"
"তুমি আমাকে টিটকারি দিচ্ছো? রিমোট নাও। আর কোন দিন টিভির সামনে আসবো না!"
আর আপনি যদি বউকে বলেন, "দাও তো, খবরটা দেখি"
বউ বলবে, "সারাদিন সংসারের কাজ করি। এখন একটু টিভি দেখছি! এটাও তোমার সহ্য হচ্ছে না।"

হাজবেন্ড সম্প্রদায় ইজ ইন ফাটা বাঁশের চিপা?
হোয়াট শুড দে ডো?

Sunday, April 14, 2013

বাস্তবতা


যদি তুমি তোমার ফ্রেন্ডকে প্রতিদিন ম্যাসেজ পাঠাও
তাহলে, তুমি কোনো সাড়া পাবেনা ,
কিন্তু যদি তুমি তাদেরকে
কোনো অচেনা নাম্বার থেকে ম্যাসেজ পাঠাও ,
তাহলে, প্রত্যেকেই সাড়া দিবে। কারন ,
মানুষের অচেনা মানুষের জন্যে সময় থাকে ,
চেনা মানুষের জন্যে নয়।

©Collected

Monday, April 1, 2013

দুঃখ কষ্ট

আমাদের মাঝে অনেককেই দেখি যারা খুব আরাম আয়েশে জীবন কাটায়। আবার কারো কারো জীবনে দুঃখ কষ্ট লেগেই থাকে। এমন হয় কেন ?

আমাদের নবী (সাঃ) বলেন, আল্লাহ যার ভালো চান তাকে দুঃখ কষ্টে ফেলেন।
[বুখারী, ৫৬৪৫]

অপর এক হাদিসে তিনি বলেন, যদি কারো উপর কোন কষ্ট আসে আল্লাহ তা'আলা এর কারণে তার গুনাহসমূহ ঝরিয়ে দেন, যেমনভাবে গাছ হতে পাতা ঝরে পড়ে।
[বুখারী, ৫৬৮৪]

তাই আমাদের কারো জীবনে যদি কোন কষ্ট আসে তবে বুঝে নিতে হবে আল্লাহ এর মাধ্যমে আমাকে সঠিকপথে আনতে চান।

Friday, March 29, 2013

যে কারণে বড়লোকের বাড়িতে যেতে হয় না

প্রশ্ন: কী দেব বলেন—ফলের জুস, চা,
কফি, সফট
ড্রিংকস নাকি অন্য কিছু?
উত্তর: চা।
প্রশ্ন: সাধারণ, নাকি হারবাল? গ্রিন টি, নাকি আইস টি?
উত্তর: সাধারণ চা।
প্রশ্ন: লাল চা, নাকি দুধ চা?
উত্তর: দুধ চা।
প্রশ্ন: গরুর দুধ, ছাগলের দুধ, নাকি উটের দুধের?
উত্তর: গরুর দুধের।
প্রশ্ন: ঠান্ডা, নাকি গরম?
উত্তর: গরম।
প্রশ্ন: ফুলক্রিম, লো ফ্যাট, নাকি ফ্যাট ফ্রি?
উত্তর: উমমমম...তারচেয় বরং লাল
চা-ই দিন।
প্রশ্ন: চিনি, নাকি মধু দেব?
উত্তর: চিনি দিন দয়া করে।
প্রশ্ন: ক্যান সুগার, নাকি বিট সুগার?
উত্তর: ক্যান সুগারই দিন।
প্রশ্ন: সাদা, বাদামি, নাকি হলুদ চিনি?
উত্তর: থাক ভাই, চা লাগবে না! আপনি আমাকে এক গেলাস পানি দিন!
প্রশ্ন: মিনারেল, নাকি নরমাল?
উত্তর: মিনারেল।
প্রশ্ন: ফ্লেভারড, নাকি নন ফ্লেভারড?
উত্তর: ভাই রে, অত কিছু বুঝি না! আপনি আমাকে নদীর পানিই দিন!


©Collected

Thursday, March 28, 2013

Some Dialog of মিঠুন চক্রবর্তী

  • সত্যকে সত্য বললে ভাষা খারাপ হয় না।
  • Warning সিগারেটের প্যাকেটের উপরও লেখা থাকে, কিন্তু যার খাবার সে ঠিকই খাবে।
  • চোখ থেকে ঝরে যাওয়া কান্না কে কখনও চোখে ফিরে যেতে দেখেছেন, নিশ্চিন্তে থাকবেন আমি পালাবো না।
  • কি হবে না হবে সেটা ভেবে কাজ নেই, পথ সেটাই হবে- যেটা সত্যে গিয়ে শেষ হয়।
  • যারা সত্যের পথে চলে, তাদের কাছে জীবন আর মিত্যুর মাঝে কোন পার্থক্য থাকেনা।
  • কুরুক্ষেত্রে যুদ্ধ করার সময় মানুষ হিংস্র হয়ে ওঠে কিন্তু সেই যুদ্ধ হতে হবে সত্যের পথে।
  • ছুটন্ত তীর শুধু তার লক্ষ্য ভেঁদে চলে, সে যানতেও চায় না যাত্রা পথে কত গুলো তীর তার দিকে এগিয়ে আসছে। তার লক্ষ্য স্থির-যেখানে সে আঘাত করবে।
  • ভুল নক্ষত্রে জন্ম আমার, জীবনে অনেক ভুল করেছি। আর একটা ভুল করলে কিচ্ছু হবে না।
  • পাবলিকের মার, কেওড়া তলা পার।
  • মানুষ কখনও কখনও পথ ভুল করে। কিন্তু রাস্তার শেষে সেই পথ ভোলাকে ঠিক রাস্তা টা দেখানোর জন্য একটা লোক দাঁড়িয়ে থাকে। আমি হোলাম রাস্তার শেষে দাঁড়িয়ে থাকা সেই লোক।
  • ***তে ভালো খারাপ দু'টিই থাকে। কিন্তু খারাপ টি যখন ভালোকে ছাপিয়ে যেতে চায় তখন সেই বাড়তি টুকু ছেটে দিয়ে তাকে balance করতে হয়।
  • রাস্তার উপর lamp post ও আছে, চুপ চাপ দাঁড়িয়ে থাকে। কিচ্ছু করতে পারে না।
  • আর্তের সহায়, বিপদের বন্ধু, সন্ত্রাসের দাস আমি।
  • কাজ সততা মনুষ্যত্ব।
  • সাপের বিষ মারতেও কাজে লাগে বাঁচাতেও কাজে লাগে। মারার কাজটা তোমরা কর, বাচাঁনোর টা না হয় আমিই করলাম।
  • আমি অপরাধিদের C/O: দেখি না

Teacher

Teachers play a key role in building promising generation. Together we weave a global social fabric. Always committed Teachers:
  1. Teach students how to see the big picture.
  2. Encourage students to excel for excellence.
  3. Articulate a can-do-attitude. "Attitude determines altitude."
  4. Coach and train students' brain to further their talent.
  5. Help to grow students with value, integrity, honesty and empathy.
  6. Educate students 3Cs: "Context + Content = Capacity."
  7. Respect students. Realize their potential. Light a candle.
  8. Stimulate students to realize "Talent + System = Exceptional Results."
 Teacher:
  •  The mediocre teacher tells.
  •  The good teacher explains.
  •  The superior teacher demonstrates.
  •  The great teacher inspires.

Apner sompor k 12ta chorom sotto ghotona ja ami jani !

1. Apni ai montobboti porchan.
2. Buja falachen ja ata apnak boka bananor kousol.
4. Kheal kora dakhun 3 namber ta bad poracha, ata apni dhortei parenni.
5. Apni ai mattro ta porikkha kora dakhlen ja ghotona te sotto.
6. Nijer bokami ter paya aber apni musky haschen
7. Ter por o apni ai lekhate porchen.
8. Abong mante baddho hossen ja, ja bolse sobe sotto.
10. Apni abaro kheal koren ni ja ami 9 number ta aria gase.
11. Apni aber ta porikha kora dekhsen.
12. Are apni kheal koran ni ja akhane 10 te chorom sotto bola hoyase, 12 ta noy.

©Collected

Wednesday, March 27, 2013

মা

একদিন ছেলেটি তার মা'র কাছে গিয়ে একটা বিল জমা দিল...
মা ছেলের দেয়া চিরকুটটা পড়লেন...
ছেলে লিখেছেঃ
১. গাছে পানি দেয়াঃ ১০ টাকা
২. দোকান থেকে এটা-ওটা কিনে দেয়াঃ ১৫টাকা
৩. ছোট ভাইকে কোলে রাখাঃ ৪০টাকা
৪. ডাস্টবিনে ময়লা ফেলাঃ ২০টাকা
৫. পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করাঃ ৫০টাকা
৬. মশারী টানানোঃ ৫ টাকা
... মোটঃ ১৪০ টাকা!!
.
.
মা বিলটা পড়ে মুচকি হাসলেন...
তারপর তার আট বছরের ছেলের মুখের দিকে খানিকক্ষণ তাকিয়ে রইলেন...
তার চোখে পানি চলে আসছে...
তিনি এক টুকরো কাগজ নিয়ে লিখতে লাগলেন....

১. তোমাকে ১০মাস পেটে ধারনঃ বিনা পয়সায়
২. তোমাকে দুগ্ধপান করানোঃ বিনা পয়সায়
৩. তোমার জন্য রাতের পর রাত জেগে থাকাঃ বিনা পয়সায়
৪. তোমার অসুখ-বিসুখে তোমার জন্য দোয়াকরা, সেবা করা, ডাক্তার এর কাছে নিয়ে যাওয়া,তোমার জন্য চোখের পানি ফেলাঃ বিনা পয়সায়
৫. তোমাকে গোসল করানোঃ বিনা পয়সায়
৬. তোমাকে গল্প,গান,ছড়া শোনানোঃ বিনা পয়সায়
৭. তোমার জন্য খেলনা, কাপড় চোপড় কেনাঃবিনা পয়সায়
৮. তোমার কাথা ধোওয়া, শুকানো, বদলে দেওয়াঃ বিনা পয়সায়
৯. তোমাকে লেখাপড়া শেখানোঃ বিনা পয়সায়
১০. এবং তোমাকে আমার নিজের থেকেও বেশি ভালোবাসাঃ সম্পূর্ন বিনা পয়সায় …
অতঃপর সন্তান তার মার হাত থেকে বিল টা নিয়ে নিচে ছোট্ট করে লিখে দিল=এ বিল জীবন দিয়েও পরিশোধ করা সম্ভব নয়।
সন্তান এর চোখ এর কোনায় তখন অশ্রুর অবস্থান
পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ এবং নিঃস্বার্থ ভালবাসা হল মায়ের ভালবাসা।
সেই মাকে যেন আমরা কোনভাবেই কষ্ট না দেই।


©Collected

Tuesday, March 19, 2013

Silencer-Chattur

বলতে পারেন কে বলেছিল এই কথা গুলো?

উথথোমাম দাদ্দাদাতো পাদম
মদ্ধিয়াম পাদম থুছুক থুছুক
কানিষ্টাম থুর থুরিয়া পাদম
ছুর ছুরি প্রাণগঘাটাক।

A-Z in Islam

A = আল্লাহ
B = বিসমিল্লাহ
C = কালিমা
D = দু'আ
E = ঈমান
F = ফরয
G = জিহাদ
H = হজ্জ্ব
I = ইসলাম
J = জান্নাত
K = ক্বিয়ামত
L = লা-ইলাহা
M = মুহাম্মাদ সঃ
N = নবুওয়্যাত
O = ওযু
P = পুলসিরাত
Q = কুরআন
R = রহমত
S = সুন্নাহ
T = তওবা
U = উমরা
V = বিতর
W = ওয়াক্ত
Y = ইয়াসীন
Z = যাকাত

National ID Card Info

১। এর প্রথম ২ সংখ্যা - জেলা কোড। ৬৪ জেলার আলাদা আলাদা কোড আছে। ঢাকার জন্য এই কোড ২৬।

২। পরবর্ত্তি ১ সংখ্যা - এটা আর এম ও (RMO) কোড।

সিটি কর্পোরেশনের জন্য - ৯
ক্যান্টনমেন্ট - ৫
পৌরসভা - ২
পল্লী এলাকা - ১
পৌরসভার বাইরে শহর এলাকা - ৩
অন্যান্য - ৪

৩। পরবর্ত্তি ২ সংখ্যা - এটা উপজেলা বা থানা কোড

৪। পরবর্ত্তি ২ সংখ্যা - এটা ইউনিয়ন (পল্লীর জন্য) বা ওয়ার্ড কোড (পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের জন্য)

৫। শেষ ৬ সংখ্যা - আই ডি কার্ড করার সময় আপনি যে ফর্ম পূরণ করেছিলেন এটা সেই ফর্ম নম্বর।

বর্তমানে আবার ১৭ ডিজিট ওয়ালা আইডি কার্ড দেয়া হচ্ছে যার প্রথম ৪ ডিজিট হচ্ছে জন্ম সাল !

English Vinglish

কিছু ইংলিশ এর বাংলা অনুবাদ:
  1. Yo baby! wassup..? আরে বাচ্চা ! উপরে কি?
  2. Listen buddy, dat chick is mine..! শোন বন্ধু, ঐ মুরগীর বাচ্চাটা আমার!
  3. Hey are u nuts..? আরেহ, তুমি কি বাদাম নাকি?
  4. Rock d party...পাথর মারো অনুষ্ঠানে।
  5. Lets hangout! চলো, বাহিরে গিয়ে ঝুঁলে থাকি।
  6. U must be kidding me!! তুমি আমার সাথে বাচ্চা করতেছ!!
©Collected

সহধর্মিনী

=> স্ত্রী কে ভালবাসুন -যখন সে আপনার চায়ে ছোট একটি চুমুক দেয়। কারণ, সে নিশ্চিত হতে চায় চা টি আপনার পছন্দ মত হয়েছে কিনা।
=> স্ত্রী কে ভালবাসুন -যখন সে আপনাকে নামাজ পড়তে জোর করে। কারণ সে আপনারই সাথে জান্নাতে যেতে চায়।
=> স্ত্রী কে ভালবাসুন -যখন সে তৈরি হতে দীর্ঘ সময় পার করে দেয়। কারণ সে চায় তাকে আপনার চোখে সবচেয়ে সুন্দর লাগুক।।
=> স্ত্রী কে ভালবাসুন -যখন তাকে সুন্দর দেখায়। কারণ সে আপনারই, তাই প্রশংসা করুন।
=> স্ত্রী কে ভালবাসুন -যখন সে আপানাকে নিয়ে ঈর্ষান্বিত হয়। কারণ, সে অন্য সমস্ত মানুষকে রেখে শুধুমাত্র আপনাকেই বেঁছে নিয়েছে।
©Collected 

ফেসবুকে মেয়েদের ঐতিহাসিক কমন কিছু স্ট্যাটাস:


  • আজ আমার মন খারাপ,আমার কিছু ভাল লাগে না কিন্তু কেন ?[এই স্ট্যাটাস দিয়াই তার অর্ধেক বছর চালায় !] 
  •  আজ বান্ধবীরা মিলে চটপটি আর ফুচকা খাইসি ! জোশ লাগলো ! [ এখানে জোশ লাগার কি হইল ! ] 
  •  ছেলেরা কেন বুঝতে চায়না প্রেম করাই জীবনের সবকিছু না [ নিশ্চিত থাকেন উনি ছ্যাকাতে পিএইচডি ! ] 
  •  উহহ মেসি ছেলেটা কত্ত সুইট! উম্মাহ ♥ [মেসি সু্ইট হইলেই তোর কি ? ঢং মারানের জায়গা পাওনা ।] 
  •  অনেক গুলা ফেন্ড রিকোয়েস্ট ইগনোর করলাম [ সব বেকুব পোলাগো ] 
  • আম্মু খুব বকা দিছে এখন আমি কান্না করতাছি,ভ্যা ভ্যা ভ্যা [ উহ, ন্যাকারে ] 
  •  না না না!! আমার মিও ( বিলাইর নাম) জ্বর হইছে তোমারা সবাই দুয়া কর প্লিজ ( আমাগো খায়াদাইয়া কাম নাই বিলাইএর লইগা দোয়া করমু ! ) 
  • আমি কতো একা, যদি একটা মনের মতো বন্ধু পেতাম! !! [ মানে দুএকজন যেন ফেসবুকে প্রপোজ করে,কেউ করে না তো তাই এই ব্যবস্থা ! ! !] 
  •  অখ্যাত কোন হিন্দি গানের লাইন দিয়ে তারা মাঝে মাঝে স্ট্যাটাস চালায় দেয় ! 
  • ইশ ! অমুক সিরিয়ালের তমুক কত সুইট অথচ ওর নায়িকা দেখতে পঁচা [ তোর হিন্দি সিরিয়ালের গুষ্টি কিলাই বাংলাদেশ থেইক্কা বাইর হ!]
©Collected

Monday, March 18, 2013

নারী'র অবমাননা

প্রতিবছর যেমন ঘটা করে পালিত হয় নারী দিবস তেমনি দিন দিন বেশ ঘটা করে অবমাননা করা হচ্ছে নারীকে।

নারী সম-অধিকার তো দূরের কথা অনেক সময় নূন্যতম অধিকারটিই পায় না। নারীর নেই নিরাপদে পথ চলার অধিকার, নারীর নেই তার মেধা ও মনন বিকাশের অধিকার, নারীর নেই মত প্রকাশের অধিকার। আর পরিবার ও সমাজিক কাঠামোর এ অধিকারহীনতা নারীকে ঠেলে দিচ্ছে হুমকির মুখে। এর ফাঁকে নারীকে অধিকার ও স্বাধীনতা দেওয়ার নামে নারীকে করে তুলেছে পণ্য।

প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই নারী ঘরের পাশাপাশি বাইরে কাজ করছে। এমনকি আমাদের অর্থনৈতিক ভিত্তির মূলে যে কৃষি তারও উদ্ভব নারীর হাতেই। কালক্রমে নারী বন্দী হয়েছে চার দেয়ালের নাগপাশে।

এখন  আবার এ অবস্থা থেকে নারীদের মুক্তি দেওয়ার নাম করে নারীর মেধা ও মনননের অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে অনেক ক্ষেত্রেই। নারীদের পরিণত করা হচ্ছে ভোগ্য পণ্যে, তাকে বানানো হচ্ছে যৌন সামগ্রী।

মানুষের মানবিক মূল্যবোধ যাতে চরম ভাবে বিপর্যস্ত হচ্ছে। অথচ আমরা আমাদের চারপাশে নারীদের হয়তো এমন রূপ বা পরিবেশে কখনো দেখিনি। সৌন্দর্যের ধারণার সঙ্গে যেমন ফর্সা শব্দটি জড়িত তেমনি কোনো পণ্যের বিজ্ঞাপন মানেই যেন নারী। এমনকি নারীরা যেসব পণ্য ব্যবহার করেন না এমন সব পণ্যের মডেল হিসেবে দেখানো হয় নারীকে।

  • বাস্তবে এমন অভিজ্ঞতা কি কারও হয়েছে যে কোনো পুরুষ বডি স্প্রে মাখলে সমুদ্র পার হয়ে আসে এমনকি আকাশের পরীরাও পৃথিবীতে নেমে আসে। এখানে নারীকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে চরমভাবে। নারীকে এখানে সরাসরি কামুক হিসেবে দেখানো হয়েছে। কিন্তু বাস্তবিক-ই কি নারী তাই? নাকি বিপরীত? এর পেছনে একটাই কারণ হতে পারে নারীকে পুঁজি করে পণ্যের কাটতি বাড়ানো।

  • আর বর্তমানে একটি বেসরকারি মোবাইল অপারেটরের আলোচিত বিজ্ঞাপনের ভাষ্য- ‘আপনার ফিরে আসার গুরুত্ব আর কেউ না বুঝলেও আমরা বুঝি’ শুনলেই মনে পড়ে ছোটবেলায় শোনা একটা প্রবাদ ‘মায়ের চেয়ে মাসির দরদ বেশি’র- কথা। এ দরদের পেছনে অবশ্য একটা কারণ আছে। আর তাও পণ্যের কাটতি। কিন্তু বাস্তবে কি এমন হয় যে হারানো প্রিয়জন ফিরে আসলে তাকে বুকে জড়িয়ে না ধরে এভাবে মূল্যায়ন করা হয় কিংবা প্রিয়জনের চেয়ে লবণের মূল্য বেশি। মানুষের ভোগবাদিতা কোন পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছালে মানবিক বা পারিবারিক সম্পর্কের চেয়ে ভোগ্যদ্রব্যের মূল্য বেশি। এখানেও ভোগবাদী হিসেবে নারীকেই দেখানো হয়েছে।

  • আবার নারীর একমাত্র গুরুত্ব যেন তার সৌন্দর্যতেই নিহিত। একটি ক্রিমের বিজ্ঞাপনে দেখা যায় একজন নারী যিনি ঘরে ও বাইরে সমান তালে কাজ করে যাচ্ছেন। হঠাৎই তিনি একদিন আবিস্কার করলেন তার সহধর্মী তার দিকে নজর দিচ্ছে না। কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে তিনি দেখলেন তার লাবণ্য কমে গেছে, মুখে পড়েছে ক্লান্তির ছাপ। এরপর আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তিনি নামি কোম্পানির ক্রিম ব্যবহার শুরু করেন যথারীতি তার সহধর্মীটিও তার প্রতি নতুন করে আকৃষ্ট হন এবং দ্বিতীয়বার মধুচন্দ্রিমায় যাওয়ার জন্য প্রস্তুত তিনি। একজন নারী যার ঘর এবং বাইরের কাজের কোনো মূল্য নেই তার সহধর্মীর কাছে আছে শুধু বাহ্যিক সৌন্দয্যের গুরুত্ব।

  • এরপর আসি একটি নারকেল তেলের বিজ্ঞাপনে। সেখানেও একই অবস্থা। চুল শুষ্ক এবং রুক্ষ হয়ে গেলে প্রিয় সহধর্মী আর ফিরেও তাকাচ্ছে না। নারকেল তেল মাখার পর চুল স্বাস্থ্যজ্জ্বল হয়ে উঠলে নারীটি তার সহধর্মীকে জিজ্ঞেস করেন- ‘ভাল লাগে!’  সহধর্মীর  উত্তর- ‘লাগে, লাগে!!’

বিশ্বায়নের এ যুগে নারী স্বাধীনতার নাম করে নারীকে বাইরে বের করে অনেকটা নগ্নভাবেই বাজারজাত করা হচ্ছে। কিন্তু নারী স্বাধীনতা মানেই নারীদের অর্ধ-নগ্ন করে  র‌্যাম্প মডেলিংয়ের নামে শরীর প্রদর্শনী নয়। মডেলিং দেখে মনে হয় না এগুলো কোনো পোশাকের প্রদর্শনী। আর এ ধরনের পোশাক কোনো বাংলাদেশি নারী পরেন কিনা আমার জানা নেই।

  • আবার কোনো মোটর কোম্পানির নতুন মডেলের কোনো বিলাসবহুল গাড়ি বাজারে আসলে বা গাড়ি বিক্রয় বা প্রদর্শনীর জন্য রাখা হলে সেখানেও গাড়ির সঙ্গে বিভিন্ন ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় নারীদের। দেখে মনে হতেই পারে ‘গাড়ি কিনলে নারী ফ্রি’।
এ তো গেলো বিজ্ঞাপন ও মডেলিংয়ের কথা খেলার মাঠেও একইভাবে প্রদর্শিত হচ্ছে নারীরা।
  • খেলার মাঠে যারা যান তারা শুধুমাত্র খেলা দেখতেই যান, সেখানে ‘চিয়ার্স গার্ল’-দের ভূমিকা কী? কেন রাখা হয় তাদের? নাকি সেখানেও দর্শক আকর্ষণের হাতিয়ার হিসেবে নারীকেই বেছে নেওয়া হয়!

  • আবার অনেক সময় অজান্তেই প্রচলিত রীতিতে বিয়ের কনে দেখানোর নাম করে নারীদের এক ভাবে প্রদর্শনই করা হচ্ছে। সেখানেও মূল্যায়ন করা হচ্ছে না নারীর মেধা ও মননকে। এখানে মানা হয়- আগে ‘দর্শনধারী পরে গুণ বিচারী’ প্রবাদটি। বর পক্ষের পছন্দের উপর নির্ভর করতে হয় কনে পক্ষকে। এমন কি হয় ছেলেদের যোগ্যতা না দেখে শুধু তার বাহ্যিক সৌন্দর্য দেখে তাকে বর হিসেবে নির্বাচন করা হয়? হয় না। কিন্তু নারীদের ক্ষেত্রে তা অহরহ হচ্ছে। এথানেও অবমূল্যায়িত হচ্ছে নারী।
এভাবে ঘর থেকে বাইরে নানাভাবে নানা উপায়ে, সচেতন বা অবচেতনে অবমূল্যায়িত হচ্ছে নারী। আমি কোনো ক্ষেত্রেই কোনো বিজ্ঞাপন দাতা সংস্থার নাম উল্লেখ করলাম না। তাদের কাজ তারা করে যাচ্ছেন। কিন্তু যারা নারী অধিকার নিয়ে কাজ করেন কিংবা নারীবাদের ধুয়ো তোলেন তাদের চোখে এ বিষয়গুলো কি একেবারেই পড়ে না! নাকি তারা বুঝতেই পারেন না বিষয়গুলো দিয়ে নারীদের অধিকার, তাদের সামাজিক মর্যাদাকে খর্ব করা হচ্ছে। নাকি তারা নিজেরা চুপ করে থাকেন এ বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের দেওয়া অর্থেই নারীদের জন্য তারা কাজ করেন। যদি এ ভয়েই তারা মুখে কুলুপ এঁটে থাকেন তাহলে নারীদের জন্য কাজ করার আসল উদ্দেশ্য কি ব্যাহত হয় না? বছরের একটা দিন শুধু নারীদের অধিকার নিয়ে মাতামাতি না করে ঘর থেকে বাইরে যাতে নারী তার যোগ্যতা অনুযায়ী মেধা ও মননের সর্বোচ্চ প্রকাশ ঘটাতে পারে সে বিষয়ে সচেতন থেকে এবং নারীকে পুরুষের অর্ধাঙ্গী না ভেবে পরিপূর্ণ মানুষের মর্যাদা দেওয়াই নারী দিবস ও নারীদের জন্য করা কাজের উদ্দেশ্য হোক।